বই: মহীয়সী নারী সাহাবীদের আলোকিত জীবন।
বর্তমানে আধুনিকতার নামে যে বেয়েহাপনা ও পাশ্চাত্যের দেশগুলোর যে রীতি নীতি মুসলিম নারীদের মন কেরেছে। তা নিশ্চয়ই নারীদের কে ধ্বংসলীলায় পরিণত করা ছাড়া আর কোন উপায় নেই। বর্তমান আধুনিক সমাজ ব্যবস্থায় নারীদের অশালীন পোশাক পরিচ্ছদ এর ব্যবহার যেভাবে ব্যাপক হারে বাড়ছে তাতে পথে ঘাটে, যেখানে সেখানে নারী ধর্ষিত হবে এটাই স্বাভাবিক। এখানে মন মানুষিকতার উপর দোষারোপ করে পার পাওয়ার কোনো উৎস নেই।
জাহিলী যুগে সব থেকে নির্যাতিত নিষ্পেষিত ছিলো ছিলো নারী রা। তাদের কে জীবন্ত কবরস্থ করা হতো। কোনো পরিবারে যদি নারী সন্তান জন্ম গ্রহন করতো তবে সেই পরিবার নিজের মান সম্মান রক্ষার্থে তাদের জীবন্ত কবর দিতো। কিন্তু ইসলামের আবির্ভাবের পর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আগমনের পর নারী দের কে সবচেয়ে বেশি মর্যাদা দিয়ে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
সে সময় নারী রা অবাধে ব্যাবসা বানিজ্য করতো। কোনো প্রকার অন্যায় অবিচার ছিলো না। কিন্তু কাল ক্রমে নারীরা তাদের মর্যাদা সম্পূর্ণ রূপে হারাতে বসেছে। তাদের মর্যাদা অক্ষুন্ন রাখতে #মহীয়সীনারীসাহাবীদেরআলোকিতজীবন বইটি অগ্রগণ্য ভূমিকা পালন করবে।
আধুনিক জীবন-যাপন প্রযুক্তির কল্যাণে অনেক সহজসাধ্য হলেও মানবিক চরিত্র উন্নয়নের ব্যাপারটি সে তুলনায় আগে বাড়তে পারেনি। ইসলামী মূল্যবোধ ছাড়া এটি অর্জন সম্ভব নয়। বাস্তবিক অর্থে এখন যারা সমাজে আইডল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে, তারা পাশ্চাত্যেরই সৃষ্টি ইসলামী মূল্যবোধ ও বিশ্বাস ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে উপনীত করেছে। মর্ডানিজমের যাতাকলে মুসলিম সমাজ ও এ ধ্বংসযজ্ঞে ইন্ধন যােগাচ্ছে। এ থেকে উত্তরণের একমাত্র উপায় ইসলামের প্রথম যুগের সাহাবায়ে কেরামকে আইডল হিসেবে গ্রহণ করা। এটি পুরুষ ও নারী উভয়ের জন্যই জরুরী। তবে নারীজাতির বর্তমান দুরবস্থা প্রত্যক্ষ করে আরববিশ্বের খ্যাতিমান লেখক শায়খ মাহমুদ আল-মিসরী সংকলন করেছেন রাসূল সা.-এর নিকটতম ৩৩ জন নারী সাহাবীর অনবদ্য জীবনী। এ গ্রন্থটি তারই সাহাবিয়্যাত হাওলার রাসূল-এর অনূদিত রূপ মহীয়সী নারী সাহাবীদের আলােকিত জীবন। তথ্যসমৃদ্ধ ও সহজবােধ্য ভাষায় অনুবাদ করা এ কিতাবটি এদেশের মুসলমানদের ইসলামের পথে আরও অগ্রসর হওয়ার ক্ষেত্রে এক অনবদ্য প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে, ইনশাআল্লাহ।
বইটি সংগ্রহ করতে:
Book Egale- বুক ঈগল
টীম এর সাথে যোগাযোগ করুন।


No comments: